দিরাইয়ের চিন্তাইকারী কে? এই শুভ”


Harun Miah প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৫, ৩:০৮ অপরাহ্ন /
দিরাইয়ের চিন্তাইকারী কে? এই শুভ”

দিরাইয়ের চিন্তাইকারী কে? এই শুভ”

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ-

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কলেজ রোডস্থ পাচ ভাই ষ্টোর থেকে জাতীয় দৈনিক তৃতীয় মাত্রার সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি নাইম তালুকদারের মোবাইল ফোন চিনতাই করেছে দিরাই হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা হারুন মাষ্টারের ছেলে দিরাইয়ের চিহ্নিত চোরা কারবারির সর্দার মাদকসেবী মামুন অর রশীদ ওরপে শুভ।
গত ১৫ ই ফেব্রুয়ারি রাত ১০ টার দিকে বায়তুল আমান মসজিদের বিপরীত মার্কেট থেকে ওই গণমাধ্যম কর্মীর মোবাইল ফোন চিনতাই করে পালিয়ে যান ছিনতাইকারী মামুন ওর রশীদ চৌধুরী শুভ। পরে গণমাধ্যমকর্মী দিরাই থানায় উপস্থিত হয়ে অফিসার ইনচার্জকে চিনতাইয়ের বিষয়টি মৌখিক অবগত করলে থানার কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার চিনতাইকারী’র হোয়াটসাপ নাম্বারে একাধিক কল করলে চিন্তাইকারী তার ফোনটি বন্ধ করে দেয় । গণমাধ্যম কর্মী দিশেহারা হয়ে দিরাইয়ের কয়েকজন লোক নিয়ে তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোজিয়া না পেয়ে দিরাই উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক রুমী চৌধুরী, দিরাই সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো বদরুজ্জামান বদরুল ও বাগবাড়ী’র বাসিন্দা মিজান সহ চিনতাই কারীর বাবা মায়ের কাছে গেলে চিনতাই কারী বিয়ষটি মুখের উপর অস্বিকার করেন। গণমাধমে কর্মী ও স্থানীয় দোকানদারের বিভিন্ন তথ্য প্রমাণের বিত্তিত্তে সে স্বীকার করলেও টাল বাহানা করে প্রায় তিন ঘন্টা পর তিনি এ মোবাইল ফোনটি ফেরত দেন। পরে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসা হলে তার উলটোপথে হাটেন চিনতাই কারী মামুন। গণমাধ্যম কর্মীর মোবাইলে থাকা পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার 01768312588 এ নাম্বারে ৫০ হাজার টাকা চিন্তাইকারী মামুন তা অন্য পন্থায় উত্তোলন করেন। অনুসন্ধানে জানা যায় মামুন রশীদ চৌধুরী শুভ দিরাইয়ের একজন মোটরবাইক ও মোবাইল ফোন চিনতাইয়ের একজন সক্রিয় অধিনায়ক। মাদকের টাকা জোগাড় করতে পর্দার অন্তরালে থাকা তার বাহীনি নিয়ে নেমে পড়েন চুরি ডাকাতির মতো ভয়নায়ক কাজে। মামুন বিগত কয়েকদিন আগে দিরাইয়ের দোওজ থেকে একটি মোটরবাইক চুরি করে নিয়ে আসেন পরে স্থানীয়দের সালিশের মাধ্যমে ফেরত দেন। কয়েক বছর আগে তিনি এক ভেরাইটিজ স্টোর থেকে প্রায় লক্ষ লক্ষ টাকার সিগারেট ও চুরি করেন। দিরাই হাসপাতাল সহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানে কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে তার চাকরী হলে ও প্রায় ১২টি প্রতিষ্টান থেকে তিনি চুরি’র করার কারণে চাকরি হরিয়েছেন। বাগবাড়ীর বাসিন্দা মিজান জানান,রুমি স্যারের সালিশে বিষয়টি মিমাংসা হয়। পরে মুখোশ পরিহিত একজন লোক মামুনকে মোবাইলটি দিয়ে যায়। নিশ্চয় মামুন চোরা ও চিনতাইকারীদের গডফাদার। মামুনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি চিনতাইয়ের আকাশসম অভিযোগ রয়েছে। দৈনিক তৃতীয় মাত্রা’র জেলা প্রতিনিধি : নাইম তালুকদার জানান,আমার মুবাইলটি সে জোরপূর্বক আমার হাত থেকে নিয়ে পালিয়ে যায়,। পরে আমি দিরাই থানায় অবগত করি। কিন্তু স্থানীয় সালিশ ব্যক্তি রুমি স্যার ও আরো কয়েকজনের সহযোগীতায় তিন ঘন্টা পর মামুন আমার ফোনটি তার পিতা হারুন মাষ্টার ও উপস্থিত লোকদের সামনে ফেরত দেয়। পরিতাপের বিষয় আমার মোবাইল ফোনটি আনলক থাকায় আমার ব্যবহারকৃত বিকাশ পার্সোনাল নাম্বার থেকে সে ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে। সে আমার নামে ফেইসবুকে মিথ্যা অপবাদ ও ছড়াচ্ছে। আমি আজই তার বিরুদ্ধে আইনগত আশ্রয় নিব।